You are currently browsing the tag archive for the ‘Cricket’ tag.

এই নিবন্ধটি লেখক সংঘে প্রকাশিত হয়েছে।

মুহম্মদ তাওসিফ সালাম
২৩ জানুয়ারি, ২০১০

তিনি বোর্ডের সভাপতি। আমি জানিনা বিসিবি সংবিধানে পদবী অনুযায়ী ঊর্দ্ধতন-নিম্নস্তন অবস্থানের ক্রমটি কি রকম, শীঘ্রই জানতে হবে। কিন্ত আপাতদৃষ্টিতে তিনি বোর্ডের সভাপতি, দীর্ঘকাল যাবৎ তার পরিচয় তিনি একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যাবসায়ী, বর্তমান সরকারী দলের একজন নেতা এবং হয়তোবা একজন দাতাও। বর্তমানে তার পরিচয়ে আরও মাত্রা যুক্ত হয়েছে – তিনি ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী আইন প্রণেতা। অতএব বাইশ তেইশ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন, সে যে-ই হোননা কেন, ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির বিচারে অবশ্যই অনেক নীচের সারিতে অবস্থান করছেন।

লক্ষ্য করুন এখানে কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করিনি। উল্লেখ করিনি কেননা উল্লিখিত রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যাক্তিবর্গ দেশের উভয় বড় দলেই বিদ্যমান এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখযোগ্য পার্থক্য এখনও কারও গোচর হয়নি। অতএব এই লেখাটি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত কোন নিবন্ধ হিসেবে চিহ্নিত না হোক, সেটাই চাইছি।

বিসিবির সভাপতি এ.এইচ.এম মোস্তফা কামাল লোটাস সম্প্রতি জনসমক্ষে ন্যাশনাল টিমের বিরুদ্ধে যে উষ্মা প্রকাশ করেছেন, তা অবশ্যই পর্যালোচনার দাবিদার। তিনি কি বলেছেন সেটা ইতমধ্যেই সবার জেনে যাওয়ার কথা। তাও পুরো ঘটনাটা সংক্ষেপে নীচে একটা ছোট প্যারায় তুলে ধরা যাক।

হোটেল সোনারগাঁওয়ে ন্যাশনাল টিমকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্যে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি লোটাস কামাল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কামাল প্লেয়ারদের সম্পর্কে বলেন- তারা দায়িত্মজ্ঞানহীন; তাদের প্রয়োজনীয় কমিটমেন্ট নেই; খেলার মাঝে জেতার ষোলআনা ইচ্ছা নেই; এক রানের জন্য লিড নিতে পারেনা; ড্রেসিং রুম থেকে তাদের উদ্দেশ্যে কোন কাজের মেসেজ যায় বলে মনে হয়না; কোন কমিউনিকেশান নাই। এসব কথা চলতে থাকা অবস্থাতেই হতভম্ব প্লেয়ার, প্রেস ও অন্যান্যরা একে অন্যের দিকে তাকাতে থাকেন। তারা হতভম্ব হতেই পারেন, কারন তারা তো জানতেন এখানে পুরষ্কার, সংবর্ধনা, ফটোসেশন ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর জিনিষপত্রের সাথে থাকবে সুন্দর সুন্দর কথা। গোলাগুলির আশংকা তাদের দূরতম কল্পনাতেও ছিল না। প্রতিরক্ষামূলক ব্যাবস্থা নেই উপলব্ধি করে এক পর্যায়ে ন্যাশনাল টিম ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান প্রতিআক্রমণকে শ্রেয়জ্ঞান করেন, মাইক্রোফোন হাতে বলেন, “আমাদের দায়িত্মবোধ নিয়ে যারা কথা বলেন, আশা করি কথা বলার সময় তারা নিজেদের দায়িত্মজ্ঞান বজায় রাখবেন”। এই মন্তব্য শোনার পর নাকি লোটাস কামালের চেহারা হয়েছিল দেখার মত। বক্তব্যদান শেষ হওয়ার পর সাকিবকে কেউ একজন ডেকে নিয়ে যায় লোটাস সাহেবের কাছে। সম্ভবত অলি গলিতে বড়ভাইরা যেমন ‘চিপা’-এ নিয়ে যায় অনেকটা সেরকম ঘটনা। চিপা অবশ্য কারওরই দৃষ্টির অগোচর ছিলনা, সেখানে সাকিবকে দেখা গিয়েছে নত মস্তকে লোটাস কামালের দাপটাদাপটির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। সাকিব সেখানে লোটাস কামালের কাছে দুই হাত জোড় করেছেন, ক্ষমাই চেয়েছেন হয়তো। সেই ফটো আবার দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় ছাপাও হয়েছে। তেলেসমাতি আর কাকে বলে!

লোটাস কামাল অবশ্য কিছু ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন তিনি একজন প্রফেশনাল। তিনি চাইবেন পারফর্ম্যান্স। তার দাবি থাকবে জয় এবং তার কাছে প্লেয়ারদের কমিটমেন্টও হতে হবে জয়। ম্যাচ শেষে সেটা জয় না হয়ে যদি জয়ের কাছাকাছিও হয়, সেটা তিনি বিবেচনা করে দেখবেন। কিন্তু প্লেয়াররা খেলার আগে জেতার কথা না বলে বলবে ভালো খেলার জন্য খেলব, ওটি হবে না।

লোটাস কামালকে বাংলাদেশের আপামর ক্রিকেটপ্রেমী ও একনিষ্ঠ দর্শকদের একজন ধরে নিলে তার ক্ষোভের বিষয়বস্তু উপলব্ধি করা সহজ। তার তুলে ধরা বেশিরভাগ পয়েন্টকেই ক্রিকেটের সমঝদার ও না-সমঝদার, সবাই সমর্থন করবেন।

কিন্তু কয়েকটা ব্যাপার মেলানো যাচ্ছেনা। যেমন লোটাস কামালের স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান। তিনি বলেছেন তিনি প্রফেশনাল। সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি একজন নেতা যিনি প্রতিষ্ঠানের অর্গানগুলোর কাছ থেকে সর্বোচ্চ পারফর্ম্যান্স আশা করবেন, এবং সেটা সম্ভব করার জন্য নরম-গরম কোন পন্থা অবলম্বন করতেই দ্বিধাবোধ করবেন না।

কথা হচ্ছে, একজন প্রফেশনাল কি কখনও বিশ্ববাসীকে জানিয়ে সমস্ত মিডিয়াকে সামনে রেখে তার অধীনস্তদের গুষ্টি উদ্ধার করবেন? এরকম নজির কি আছে কোথাও? একজন প্রফেশনাল যিনি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে অবস্থান করেন তাকে অবশ্যই তার সাবঅর্ডিনেটদের প্রতি অম্ল ও মধুর দুই আচরণই করতে হবে, নেতৃত্বরক্ষা ও দক্ষতা বাড়ানো, উভয় উদ্দেশ্যেই। কিন্তু তিনি কি সেই প্রতিষ্ঠান আয়োজিত কোন সংবাদ সম্মেলনে কোনদিন তার কর্মীদের এক হাত নিবেন? এতে তার কর্মীদের মনোবল কোথায় যাবে? নেতা হিসেবে এ ধরণের পেটপাতলা লোক কি কখনও নিজেকে প্রফেশনাল দাবি করতে পারে?

একজন ফ্যান হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের প্রতি লোটাস কামালের সমর্থন নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, এবং টিম জিততে না পারায় তিনি হতাশ। তো এ ধরণের সমর্থক তো দেশে আরো ১৬ কোটি আছেন। জিততে না পারলে তারাও হতাশ হন। অনেকে প্লেয়ারদের গ্যালারি থেকে দুয়ো দেন, কেউ কেউ মারতেও ধরেছিলেন। তো এদের সাথে আর বিসিবি প্রেসিডেন্ট লোটাস কামালের তফাত কি রইল? তিনি একজন ক্ষমতাবান এমপি, যার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে খোদ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকেই নাকানি চোবানি খেতে হতে পারে। এই অহংকারই কি লোটাস কামালের বোধবুদ্ধিকে হজম করে নিয়েছে? সাকিবকে দুটো কথা শোনালে কেউ কিছু বলার নেই, বরং প্রতিবাদ করলে সাকিবকেই হার মেনে ক্ষমা চেতে হবে, এটা জেনেই কি তিনি বিষ উগরে দিলেন?

মনে পড়ে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের একজন বিশিষ্ট নেতা জয়নাল হাজারী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর জানিয়েছিলেন বাকি জীবন ক্রিকেট নিয়ে থাকতে চান, প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রিয় সভানেত্রীর কাছে আবেদন করবেন বিসিবির দায়িত্মটা তার হাতে দেওয়ার জন্যে। তখন আমরা বলেছিলাম, বাহ্! এবার তো আমাদের ব্যাটসম্যানরা আউট হলে আর ড্রেসিং রুমে যাবে না, মাঠ থেকে সোজা আত্মগোপনে যাবেন। প্রাণের ভয় কার নেই? বিশেষ করে টিপু সুলতানকেই বা কে চেনে না। তো সেটা ছিল জয়নাল হাজারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

লোটাস কামালকে যখন বিসিবির প্রেসিডেন্ট বানানো হল, তখন সত্যিই ভেবেছিলাম যে অন্তত এই অ্যাপয়েন্টমেন্টটা অ্যাটর্নি জেনারেল বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মত হয়নি। লোটাস কামাল, আরেফীন সিদ্দিকী বা মাহবুবে আলম এনারা সবাইই রাজনৈতিক লোক ও নিয়োগও পেয়েছেন একান্ত রাজনৈতিক বিবেচনায়, কিন্তু লোটাস কামালের বিসিবির প্রেসিডেন্ট হওয়াতে তেমন নিরাশ হইনি। তাকে একজন সফল ব্যাবসায়ি ও দক্ষ ব্যাবস্থাপনার লোক বলেই জানি। কিন্তু তিনি সম্প্রতি আমাদের নতুন করে ভাবতে বসিয়ে দিলেন।

ঘটনা অতিবাহিত হতে হতেই সাকিব সমর্থন পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রায় সব ক্রিকেটারের পক্ষ থেকেই। এককালের ক্যাপ্টেনগণ যেমন নাইমুর রহমান দূর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুল, এনারা সবাই বোর্ড সভাপতির আচরণকে ঔদ্ধত্য হিসেবে দেখছেন। সভাপতিও যে সমর্থন পাননি তাই বা বলি কি করে। দেশের স্বঘোষিত সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক যারা এই সভাপতির নিয়োগে উদ্বেল হয়ে উঠেছিল, তারা মোটামুটি চেপেই গিয়েছে এই পুরো ঘটনাটা।

তবে এটা ঠিক যে তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখানোতে সাকিব আল হাসানেরও কিছুটা ছেলেমানুষি প্রকাশ পেল। লোটাস কামাল বিসিবির প্রেসিডেন্ট, আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি ও আবাহনী ক্রিকেটের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বলে বলছি না। সাকিব আল হাসান জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন। এ ধরণের তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখানো তার শোভা পায় না নিশ্চয়ই। এ কথা সত্য যে ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বোর্ডের কাছ থেকে আরও সমর্থন আশা করেন, অন্তত পক্ষে লোটাস কালামের এই লোকসমক্ষে রূঢ় আচরণ আশা করেন না। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে এসকল পরিস্থিতিতে নিঃশব্দে সামলে ওঠার গুণটা তার থাকা জরুরী। বোঝা গেল এখনও সেই গুণ পরিপক্ক ভাবে রপ্ত হয়নি। তাড়াতাড়ি রপ্ত হওয়া প্রয়োজন। আর লোটাস কামাল সাহেব, বেশ পরিণত বয়স্ক মানুষ, তাকে আর কি শেখার জন্য বলব, শুধু বলা যেতে পারে, স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞানটা আরেকটু ঝালিয়ে নিলে সবারই মঙ্গল।

তবে সবশেষে এটা না বলে উপায় নেই, লোটাস কামালের মত মানসিকতার দিক থেকে পিছিয়ে থাকা কর্মকর্তাদের অভিভাবক হিসেবে পেয়ে আমাদের প্লেয়াররা এগিয়ে থেকেও সামগ্রিক ভাবে হয়তোবা পিছিয়েই থাকবেন। এদের কাছ থেকে প্লেয়াররা যখন স্বান্ত্বনা চান তখন পাবেন ধিক্কার, আর যখন সমর্থন চান তখন পাবেন আক্রমন। আর এক সময় যখন এই প্লেয়াররা সব কাটিয়ে উঠে সাফল্য পাবেন, তখন এই কর্মকর্তারাই লজ্জা বিসর্জন দিয়ে সাফল্যের ক্রেডিট তুলে নিবেন নিজের কাঁধে। এনারা কর্মকর্তা হিসেবে নন, বরং গ্যালারিতে বসে হৈচৈ করবার যোগ্য। অতএব এনাদের গ্যালারিতে পাঠিয়ে দেয়া হোক। এনারা বরং হসপিট্যালিটি বক্সে বসে সপরিবারে খেলা দেখুন আর বুঝে না বুঝে যা খুশি মন্তব্য করুন, যেগুলো কেউ শুনবে না। বোর্ড বরং ছেড়ে দেওয়া হোক তাদের হাতে যারা প্লেয়ারদের সাথে ব্যাক্তিগত আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে আপত্তির কথা তখন জানাবেন, অন্তত সংবাদ সম্মেলনে উচ্ছৃংখলতার জন্ম দিবেননা, প্লেয়ারদের স্পিরিটের বারোটা বাজাবেননা।

* * * * *

মুহম্মদ তাওসিফ সালাম একজন বাংলাদেশী ব্লগার।

Advertisements

M. Tawsif Salam
23 August, 2009. Dhaka.

Majority of the Bangladeshi cricket fans no matter in times of disappointment or pleasure, rarely have denied the fact that the national team contains skilled players required for a pleasant end of a game. It can be that people around have been disappointed immensely for a batsman’s getting out in almost the same way he gets out in most of the occasions; or the one which happens to be more usual for Bangladesh throughout the time that is sudden collapse of the batting order. But rarely has it been told that they couldn’t do because they weren’t meant to do.

However while talking about what they still need and is quite difficult to have, is the consistency of their better performances. In other sense and though it’s a fact that not necessarily a winning game is always the one with good cricket, we can interpret that one of the things the tigers were still looking for has been the consistency of winning. Bangladesh’s consecutive outfighting of Zimbabwe and West Indies can be taken to set up as what we repeatedly call Bangladesh team to have required for years.

Beside good cricket from both the sides a better contribution from the neutral part of the game also seems as a mandatory, which Shane Warne has recently appeared to be concerned about. Recently he was found to lambaste the present day umpiring stating, “The standard of umpiring is as low as I’ve known it in 20 years.” Well, let not just take few disputable decisions to specify a general deterioration. Especially in case of relating the matter with time, it has to be accepted that the advanced use of an advanced technology have made some stuffs quite outcast and mistakes at the grounds are now exposed in a better way. But what really makes us take seriously that are consecutively disputed decisions from certain umpires have very scant record of accountabilities or dramatic improvement.

Bangladesh vs Zimbabwe 3rd ODI 236`
Celebration

It really hurts to accommodate any criticism about the ultimate decider of the game in a post-game talk. But talks really do favor in such situations where it sometimes turns to be unbearable and an explication comes up as precedence.

For example we must not mind if Asoka De Silva’s umpiring is brought to attention to at least some extent. Bangladesh team already has received unexpected damages by what appeared to have been disputable decisions of the Sri Lankan umpire. Bangladesh’s tours to Pakistan in 2003 and to West Indies this year are the noted ones.

Asoka as a cricketer has however been impressive in his test debut where he bowled stood nearly as a solid obstacle on ways of the Indian scorers in Colombo back in 1985. As an umpire, well his decisions gave births to few notable flaps. Considering the fact that technology nowadays does even a cruder exposure of man’s mistakes at instance and instead of just regretting a sum of ‘regrettable’ decisions at the international level, there can be suggested a tradeoff between technological aspects and their acceptable contributions to evade any contentiousness among the people around.

Bangladesh vs Zimbabwe 3rd ODI 206
The post-game at Sher-e-Bangla Stadium, Mirpur, Dhaka.

Sunil Gavaskar once has regretted a fact which also we often do; that as the time has advanced it has took away what once was innocence in cricket they had back in their times. Gavaskar told Ayaz Memon on 10 July this year, “There was an innocence about the game when I was kid, which is perhaps not quite there now. I think I would prefer the innocence of the game that was there when I was a teenager.” Things take place which make us think in the same way too. Like, there was some sort of celebration among the fielders in the ground after an opponent batsman made a half-century. It ain’t like such things have disappeared nowadays, but the players are aware that the TV cameras are on them, according to Gavaskar.

After the 4th ODI of Bangladesh-Zimbabwe series in Bulawayo this year, Tamim Iqbal did set something easing Sunil Gavaskar and ourselves too. Charles Coventry’s spectacular 194 not-out ultimately came at nothing for Zimbabwe as Iqbal’s decisive 154 did it sealing the match for Bangladesh. It was the ‘Man of the Match’ trophy that Iqbal was co-chosen for with Coventry and it’s where our point lies. Tamim Iqbal, who’s steady and epic 154 won the match for Bangladesh, stated “I congratulated him (Coventry) and told him that he could keep the trophy. He deserved it… You don’t make world records every day. It was a truly magnificent innings.” That was a good one to ease us as well as Sunil Gavaskar; really a winning habit and else.

This has also been published in the 23 August, 2009 issue of Weekly Economic Times.

Onnesha
September 18, 2008.

I am shocked!
I am surprised!
I am worried!

That’s all I can say after hearing the news that 14 Bangladeshi Players are going to play Indian Cricket League (ICL) which is a private cricket league and banned by BCCI and ICC also said that it is ‘NOT’ a legal cricket league.

Bangladesh is a land of dreamers. It does not matter whether we have two square meals or a place to sleep, we dream big and when most of these dreams do not come true we get frustrated. The entire Bangladesh nation is sports crazy. Off late cricket became a game of billions. Cricketers put Bangladesh in the world map. It is not that we became world champions .We lost most of the matches in all forms of games, most by comfortable margins. Yet our brilliant occasional victories made us rejoice wild. Bangladeshi cricketers became heroes. Millions worship them. They are ambassadors of the 150 Million Bangladeshis. Everywhere they play Bangladeshi community remains present to cheer them up. Our cricketers also carry Bangladesh on their shoulder. They did enough to make Bangladesh proud. Whatever they earned they earned with their hard labour .They deserved it. No one gave them any money for charity.

https://i2.wp.com/img32.picoodle.com/img/img32/5/12/5/onnesha/f_ICLm_fd6a4ff.jpg

14 Bangladeshi players recently join the REBEL Cricket League which is BANNED in the country where it is based. They players who joined knew that they will be banned because of joining the league. Because other country boards also do the same. They players are-

Habibul Bashar (capt), Aftab Ahmed, Shahriar Nafees, Alok Kapali, Dhiman Ghosh (wk), Farhad Reza, Manjural Islam, Golam Mabud (wk), Mahbubul Karim, Mohammad Rafique, Mohammad Sharif, Mosharraf Hossain, Tapash Baisya . Another one is yet to be confirmed. Nazimuddin give his resign letter to BCB but didn’t signed with ICL yet. Let’s see what he do.

I will not blame Mohammad Rafique because he already retired from international cricket career few months back. So he has right to earn money now at the terminal part of his career from my point of view. So he has right to join ICL but others are not.

In spite of knowing this, they join the league. Among the 12 players there are some players who has potential to be famous player and star by playing for Bangladesh. But they has gone to the wrong way and they are just FINISHED. Bangladesh Cricket Board banned the 13 players from each type of cricket for 10 years that means there is few chances for them to play for Bangladesh and to be proud by playing for his country.

Now the question arise why they do so? What was there problem? Why they become REBEL and joined ICL?

Is it for money? I think yes. It is for money. The players signed for ICL just for money. They forget what the country gave them. Whay they are Habibul, Aftab, Nafis now. Why the whole World know them know. They just thought about the money.

In their resignation letter to BCB said that they are resigning is for ‘PERSONAL PROBLEM.’ And then they joined ICL. They didn’t say it to any officials of the cricket board or directly to cricket board. They just give the letter and went for India.

I think BCB tries their best to keep the player and bring the to right path after knowing the issue. They tried to discuss about the matter with the players. They send SMS to the players to attend the meeting. They called them but their mobile phones were switched off. But after all, the players refuse to talk with the board and went to India to sign contract with ICL to play for Dhaka Warriors, a new team which will play in ICL this season. Thay said to media that they didn’t get any letter or phone call from BCB to attend the meeting. They just get a SMS. How BCB will get them if their phones are switched off. And I think sending letters with in a day to all 14 players is tuff for any organisation as well as BCB. So I can say that players were determined that they will not meet the cricket board and wil run for money.

https://i1.wp.com/img28.picoodle.com/data/img28/3/9/17/f_20080918sp0m_7ceb3e3.jpg

Government and board expended a lot of money behind them. They get a lot of money for them. They get treatment in abroad when they are injured. They get well facilities. They get money. After after all they forget all of these and ran for ICl, you know what for. Players complained that unsupporative structure and behavior lead them to play for ICL! “Some of the players are joining the ICL because they are fed up at the way they have been treated by the board,” batsman Shahriar Nafees has been quoted as saying. Is there any logic in this comment? They could talk with the board and inform them what is there problem. Cricket Board arrange meeting for this after knowing they are resigning, But they refuses to talk. Why?

“Please don’t call us rebels,” said Habibul Bashar. “The ICL contracts do not prevent us from playing for Bangladesh. We are as keen as anyone to play for our country.”

I don’t know why they forgot the country, pride, people? They take this kind of decission just before New Zealand series which is very important for Bangladesh now. They just create a problem for the country’s National Cricket Team.

Bangladesh now facing the disastrous face of the illegal league ICL. BCCI already said that it is the internal matter between the cricket board of Bangladesh and the players. But I think BCCI should talk to ICL authority. They should not force to split cricket into two parts which will not be good for cricket.

I think Bangladesh Cricket Board took the right steps for the players. They banned the players joined ICL for ten years. I hope that will stop more players to join ICL. But Board work is not finished. Board have to think why it happened, who are responsible and have to take more steps. They have to think about the contracts of the players. They have to bring more facilities for the players and offcourse the all players who are not in contract with Bangladesh Cricket Board.

Report said that the unrecognized Indian Cricket League took a swipe at the sport’s governing body on Wednesday after signing 11 Bangladesh internationals for their second season.

Meanwhile Bangladesh coach Siddon said, “All I’ll say is that we haven’t lost one player who was in the team for the last Test,” who will shortly begin preparing a squad for a home series against New Zealand. “The guys who were going are gone – and the guys who are staying can get on with the job,” he added.

This post has also been published in Onnesha Blog.

The Writer’s Club in Bangla

দ্যা রাইটার্স ক্লাবের বাংলা ভার্সন লেখক সংঘ ব্লগ খোলা হয়েছে।

The Writer's Club is now available in Bangla.

RSS South Asia

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.

RSS Unheard Voices

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.
September 2017
M T W T F S S
« Nov    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930