You are currently browsing the monthly archive for January 2010.

Hussain Imam
31 January, 2010, Dhaka

When BNP chairperson Begum Khaleda Zia criticises Sheikh Hasina or her government on any matter, (or vice versa), it can be in most cases assumed that the latter must have done something good. The more severe the criticism, the higher is the chance of such assumption turning out to be true.

If we go by this theory, the way BNP chairperson Begum Khaleda Zia has reacted to Prime Minister Sheikh Hasina’s recent visit to India is a clear indication that Sheikh Hasina’s trip has been a tremendous success.

Sheikh Hasina has during her visit signed three treaties, one memorandum of understanding (MoU), one protocol, and a joint communiqué. While the treaties related mostly to ensure security of the region through united action against terrorism, religious jingoism, political insurgency and women and drug trafficking, the other agreements including the joint declaration aimed at resolving all other bilateral and multi-lateral issues through mutual discussion based on good friendly relations between the two countries.

Sheikh Hasina thinks that her visit has been a complete success. She thinks that the visit has opened a new horizon of bilateral and regional cooperation between the two countries. Why should she not?

As reported by an Indian journalist, when Sheikh Hasina, during her summit meeting with Prime Minister Manmohan Singh, took out her list of demands, Manmohan Singh told her that she did not have to ask anything. Whatever was the need of Bangladesh, India would go to the furthest extent to meet those demands.

Begum Khaleda Zia

Regarding Tipaimukh Dam, the most sensitive issue for Bangladesh, Manmohan Singh has categorically told Hasina that India will not do anything that will harm Bangladesh. About sharing water of Teesta and other common rivers, both the countries have agreed to a ministerial level JRC meeting on urgent basis.

India is our big neighbour, bordering us on three sides — east, west and north. It is a vast country, seven times bigger than our country by population alone. It is the largest democracy and one of the fastest growing economies in the world, poised to be the third biggest economic superpower in a decade or so.

When the prime minister of such a country, and if the prime minister is Manmohan Singh, one of the finest men at the helm of affairs anywhere, gives such assurance, why should not Sheikh Hasina, as prime minister of Bangladesh, feel confident of her success in the mission?

Given the nature of the politics BNP has been pursuing ever since it came into existence, it is not surprising that the chairperson of the party will oppose every move Sheikh Hasina makes, and if it is anything related to India, she will use her anti-Indian trump card and go to any extent to spoil the broth.

Begum Zia has tried to do exactly that. She has, through a hurried press conference, termed the visit not only a total failure but also harmful to the nation. She has accused Sheikh Hasina of giving everything to India and getting nothing for Bangladesh in return. She did not stop there. She has, as she did when the AL government signed the historic peace treaty of Chittagong Hill Tracts in 1997, accused Sheikh Hasina of selling the country to India.

In 1997, it was up to Feni that Khaleda Zia accused Shekh Hasina of selling to India. This time it is the whole country. No wonder, Sheikh Hasina was quick enough to ask Begum Zia if she needed an Indian visa to visit her hometown in Feni.

Sheikh Hasina’s visit to India and the agreements or understandings arrived at during the visit have, as many a political analysts, academics and economists across the region agree, turned over a new leaf of relation between the two countries, and if the treaties and the agreements see the light of the day, both the countries, indeed the whole South Asian region will be immensely benefited. The whole region will usher in a new era of peace and prosperity. Why not wait and see?

Bangladesh has allowed India, along with Nepal and Bhutan, to facilitate transit of their cargo to their hinterlands through Chittagong, Mongla and Ashuganj port and, in return, Bangladesh will also be able to transit its cargo to and from Nepal and Bhutan using Indian territory. This will not only bolster economic activities of our ports and earn huge revenue but also help develop trade and business activities between the countries. This is a practice not uncommon elsewhere. Singapore and Rotterdam are glaring examples in front of us.

It is unfortunate that Begum Zia or for that matter her think tanks and advisers do not realise that their anti-Indian card has gone all blunt. The present generation is not prepared to buy it any longer. They want to go ahead with the others. They know very well that in the face of imminent threat of climate change and terrorist activities across the region there is no alternative to active cooperation and friendly relation among all the neighbouring countries of the region.

* * * * *

Hussain Imam, a former merchant navy officer, is a regular contributor to The New Age, the Daily Star and Daily Sangbad.

Advertisements

এই নিবন্ধটি লেখক সংঘে প্রকাশিত হয়েছে।

মুহম্মদ তাওসিফ সালাম
২৩ জানুয়ারি, ২০১০

তিনি বোর্ডের সভাপতি। আমি জানিনা বিসিবি সংবিধানে পদবী অনুযায়ী ঊর্দ্ধতন-নিম্নস্তন অবস্থানের ক্রমটি কি রকম, শীঘ্রই জানতে হবে। কিন্ত আপাতদৃষ্টিতে তিনি বোর্ডের সভাপতি, দীর্ঘকাল যাবৎ তার পরিচয় তিনি একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যাবসায়ী, বর্তমান সরকারী দলের একজন নেতা এবং হয়তোবা একজন দাতাও। বর্তমানে তার পরিচয়ে আরও মাত্রা যুক্ত হয়েছে – তিনি ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী আইন প্রণেতা। অতএব বাইশ তেইশ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন, সে যে-ই হোননা কেন, ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির বিচারে অবশ্যই অনেক নীচের সারিতে অবস্থান করছেন।

লক্ষ্য করুন এখানে কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করিনি। উল্লেখ করিনি কেননা উল্লিখিত রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যাক্তিবর্গ দেশের উভয় বড় দলেই বিদ্যমান এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখযোগ্য পার্থক্য এখনও কারও গোচর হয়নি। অতএব এই লেখাটি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত কোন নিবন্ধ হিসেবে চিহ্নিত না হোক, সেটাই চাইছি।

বিসিবির সভাপতি এ.এইচ.এম মোস্তফা কামাল লোটাস সম্প্রতি জনসমক্ষে ন্যাশনাল টিমের বিরুদ্ধে যে উষ্মা প্রকাশ করেছেন, তা অবশ্যই পর্যালোচনার দাবিদার। তিনি কি বলেছেন সেটা ইতমধ্যেই সবার জেনে যাওয়ার কথা। তাও পুরো ঘটনাটা সংক্ষেপে নীচে একটা ছোট প্যারায় তুলে ধরা যাক।

হোটেল সোনারগাঁওয়ে ন্যাশনাল টিমকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্যে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি লোটাস কামাল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কামাল প্লেয়ারদের সম্পর্কে বলেন- তারা দায়িত্মজ্ঞানহীন; তাদের প্রয়োজনীয় কমিটমেন্ট নেই; খেলার মাঝে জেতার ষোলআনা ইচ্ছা নেই; এক রানের জন্য লিড নিতে পারেনা; ড্রেসিং রুম থেকে তাদের উদ্দেশ্যে কোন কাজের মেসেজ যায় বলে মনে হয়না; কোন কমিউনিকেশান নাই। এসব কথা চলতে থাকা অবস্থাতেই হতভম্ব প্লেয়ার, প্রেস ও অন্যান্যরা একে অন্যের দিকে তাকাতে থাকেন। তারা হতভম্ব হতেই পারেন, কারন তারা তো জানতেন এখানে পুরষ্কার, সংবর্ধনা, ফটোসেশন ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর জিনিষপত্রের সাথে থাকবে সুন্দর সুন্দর কথা। গোলাগুলির আশংকা তাদের দূরতম কল্পনাতেও ছিল না। প্রতিরক্ষামূলক ব্যাবস্থা নেই উপলব্ধি করে এক পর্যায়ে ন্যাশনাল টিম ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান প্রতিআক্রমণকে শ্রেয়জ্ঞান করেন, মাইক্রোফোন হাতে বলেন, “আমাদের দায়িত্মবোধ নিয়ে যারা কথা বলেন, আশা করি কথা বলার সময় তারা নিজেদের দায়িত্মজ্ঞান বজায় রাখবেন”। এই মন্তব্য শোনার পর নাকি লোটাস কামালের চেহারা হয়েছিল দেখার মত। বক্তব্যদান শেষ হওয়ার পর সাকিবকে কেউ একজন ডেকে নিয়ে যায় লোটাস সাহেবের কাছে। সম্ভবত অলি গলিতে বড়ভাইরা যেমন ‘চিপা’-এ নিয়ে যায় অনেকটা সেরকম ঘটনা। চিপা অবশ্য কারওরই দৃষ্টির অগোচর ছিলনা, সেখানে সাকিবকে দেখা গিয়েছে নত মস্তকে লোটাস কামালের দাপটাদাপটির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। সাকিব সেখানে লোটাস কামালের কাছে দুই হাত জোড় করেছেন, ক্ষমাই চেয়েছেন হয়তো। সেই ফটো আবার দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় ছাপাও হয়েছে। তেলেসমাতি আর কাকে বলে!

লোটাস কামাল অবশ্য কিছু ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন তিনি একজন প্রফেশনাল। তিনি চাইবেন পারফর্ম্যান্স। তার দাবি থাকবে জয় এবং তার কাছে প্লেয়ারদের কমিটমেন্টও হতে হবে জয়। ম্যাচ শেষে সেটা জয় না হয়ে যদি জয়ের কাছাকাছিও হয়, সেটা তিনি বিবেচনা করে দেখবেন। কিন্তু প্লেয়াররা খেলার আগে জেতার কথা না বলে বলবে ভালো খেলার জন্য খেলব, ওটি হবে না।

লোটাস কামালকে বাংলাদেশের আপামর ক্রিকেটপ্রেমী ও একনিষ্ঠ দর্শকদের একজন ধরে নিলে তার ক্ষোভের বিষয়বস্তু উপলব্ধি করা সহজ। তার তুলে ধরা বেশিরভাগ পয়েন্টকেই ক্রিকেটের সমঝদার ও না-সমঝদার, সবাই সমর্থন করবেন।

কিন্তু কয়েকটা ব্যাপার মেলানো যাচ্ছেনা। যেমন লোটাস কামালের স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান। তিনি বলেছেন তিনি প্রফেশনাল। সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি একজন নেতা যিনি প্রতিষ্ঠানের অর্গানগুলোর কাছ থেকে সর্বোচ্চ পারফর্ম্যান্স আশা করবেন, এবং সেটা সম্ভব করার জন্য নরম-গরম কোন পন্থা অবলম্বন করতেই দ্বিধাবোধ করবেন না।

কথা হচ্ছে, একজন প্রফেশনাল কি কখনও বিশ্ববাসীকে জানিয়ে সমস্ত মিডিয়াকে সামনে রেখে তার অধীনস্তদের গুষ্টি উদ্ধার করবেন? এরকম নজির কি আছে কোথাও? একজন প্রফেশনাল যিনি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে অবস্থান করেন তাকে অবশ্যই তার সাবঅর্ডিনেটদের প্রতি অম্ল ও মধুর দুই আচরণই করতে হবে, নেতৃত্বরক্ষা ও দক্ষতা বাড়ানো, উভয় উদ্দেশ্যেই। কিন্তু তিনি কি সেই প্রতিষ্ঠান আয়োজিত কোন সংবাদ সম্মেলনে কোনদিন তার কর্মীদের এক হাত নিবেন? এতে তার কর্মীদের মনোবল কোথায় যাবে? নেতা হিসেবে এ ধরণের পেটপাতলা লোক কি কখনও নিজেকে প্রফেশনাল দাবি করতে পারে?

একজন ফ্যান হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের প্রতি লোটাস কামালের সমর্থন নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, এবং টিম জিততে না পারায় তিনি হতাশ। তো এ ধরণের সমর্থক তো দেশে আরো ১৬ কোটি আছেন। জিততে না পারলে তারাও হতাশ হন। অনেকে প্লেয়ারদের গ্যালারি থেকে দুয়ো দেন, কেউ কেউ মারতেও ধরেছিলেন। তো এদের সাথে আর বিসিবি প্রেসিডেন্ট লোটাস কামালের তফাত কি রইল? তিনি একজন ক্ষমতাবান এমপি, যার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে খোদ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকেই নাকানি চোবানি খেতে হতে পারে। এই অহংকারই কি লোটাস কামালের বোধবুদ্ধিকে হজম করে নিয়েছে? সাকিবকে দুটো কথা শোনালে কেউ কিছু বলার নেই, বরং প্রতিবাদ করলে সাকিবকেই হার মেনে ক্ষমা চেতে হবে, এটা জেনেই কি তিনি বিষ উগরে দিলেন?

মনে পড়ে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের একজন বিশিষ্ট নেতা জয়নাল হাজারী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর জানিয়েছিলেন বাকি জীবন ক্রিকেট নিয়ে থাকতে চান, প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রিয় সভানেত্রীর কাছে আবেদন করবেন বিসিবির দায়িত্মটা তার হাতে দেওয়ার জন্যে। তখন আমরা বলেছিলাম, বাহ্! এবার তো আমাদের ব্যাটসম্যানরা আউট হলে আর ড্রেসিং রুমে যাবে না, মাঠ থেকে সোজা আত্মগোপনে যাবেন। প্রাণের ভয় কার নেই? বিশেষ করে টিপু সুলতানকেই বা কে চেনে না। তো সেটা ছিল জয়নাল হাজারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

লোটাস কামালকে যখন বিসিবির প্রেসিডেন্ট বানানো হল, তখন সত্যিই ভেবেছিলাম যে অন্তত এই অ্যাপয়েন্টমেন্টটা অ্যাটর্নি জেনারেল বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মত হয়নি। লোটাস কামাল, আরেফীন সিদ্দিকী বা মাহবুবে আলম এনারা সবাইই রাজনৈতিক লোক ও নিয়োগও পেয়েছেন একান্ত রাজনৈতিক বিবেচনায়, কিন্তু লোটাস কামালের বিসিবির প্রেসিডেন্ট হওয়াতে তেমন নিরাশ হইনি। তাকে একজন সফল ব্যাবসায়ি ও দক্ষ ব্যাবস্থাপনার লোক বলেই জানি। কিন্তু তিনি সম্প্রতি আমাদের নতুন করে ভাবতে বসিয়ে দিলেন।

ঘটনা অতিবাহিত হতে হতেই সাকিব সমর্থন পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রায় সব ক্রিকেটারের পক্ষ থেকেই। এককালের ক্যাপ্টেনগণ যেমন নাইমুর রহমান দূর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুল, এনারা সবাই বোর্ড সভাপতির আচরণকে ঔদ্ধত্য হিসেবে দেখছেন। সভাপতিও যে সমর্থন পাননি তাই বা বলি কি করে। দেশের স্বঘোষিত সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক যারা এই সভাপতির নিয়োগে উদ্বেল হয়ে উঠেছিল, তারা মোটামুটি চেপেই গিয়েছে এই পুরো ঘটনাটা।

তবে এটা ঠিক যে তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখানোতে সাকিব আল হাসানেরও কিছুটা ছেলেমানুষি প্রকাশ পেল। লোটাস কামাল বিসিবির প্রেসিডেন্ট, আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি ও আবাহনী ক্রিকেটের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বলে বলছি না। সাকিব আল হাসান জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন। এ ধরণের তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখানো তার শোভা পায় না নিশ্চয়ই। এ কথা সত্য যে ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বোর্ডের কাছ থেকে আরও সমর্থন আশা করেন, অন্তত পক্ষে লোটাস কালামের এই লোকসমক্ষে রূঢ় আচরণ আশা করেন না। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে এসকল পরিস্থিতিতে নিঃশব্দে সামলে ওঠার গুণটা তার থাকা জরুরী। বোঝা গেল এখনও সেই গুণ পরিপক্ক ভাবে রপ্ত হয়নি। তাড়াতাড়ি রপ্ত হওয়া প্রয়োজন। আর লোটাস কামাল সাহেব, বেশ পরিণত বয়স্ক মানুষ, তাকে আর কি শেখার জন্য বলব, শুধু বলা যেতে পারে, স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞানটা আরেকটু ঝালিয়ে নিলে সবারই মঙ্গল।

তবে সবশেষে এটা না বলে উপায় নেই, লোটাস কামালের মত মানসিকতার দিক থেকে পিছিয়ে থাকা কর্মকর্তাদের অভিভাবক হিসেবে পেয়ে আমাদের প্লেয়াররা এগিয়ে থেকেও সামগ্রিক ভাবে হয়তোবা পিছিয়েই থাকবেন। এদের কাছ থেকে প্লেয়াররা যখন স্বান্ত্বনা চান তখন পাবেন ধিক্কার, আর যখন সমর্থন চান তখন পাবেন আক্রমন। আর এক সময় যখন এই প্লেয়াররা সব কাটিয়ে উঠে সাফল্য পাবেন, তখন এই কর্মকর্তারাই লজ্জা বিসর্জন দিয়ে সাফল্যের ক্রেডিট তুলে নিবেন নিজের কাঁধে। এনারা কর্মকর্তা হিসেবে নন, বরং গ্যালারিতে বসে হৈচৈ করবার যোগ্য। অতএব এনাদের গ্যালারিতে পাঠিয়ে দেয়া হোক। এনারা বরং হসপিট্যালিটি বক্সে বসে সপরিবারে খেলা দেখুন আর বুঝে না বুঝে যা খুশি মন্তব্য করুন, যেগুলো কেউ শুনবে না। বোর্ড বরং ছেড়ে দেওয়া হোক তাদের হাতে যারা প্লেয়ারদের সাথে ব্যাক্তিগত আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে আপত্তির কথা তখন জানাবেন, অন্তত সংবাদ সম্মেলনে উচ্ছৃংখলতার জন্ম দিবেননা, প্লেয়ারদের স্পিরিটের বারোটা বাজাবেননা।

* * * * *

মুহম্মদ তাওসিফ সালাম একজন বাংলাদেশী ব্লগার।

Moinuddin Naser
14 January, 2010, New York

India has become desperate to capture the Bangladesh’s telecommunication system and to build up a fibre optic network by using the Cox’s Bazar submarine cable to connect India’s seven sisters in the Northeast India. In this connection the Indian Telecom companies Bharti Airtel and Reliance Communications have already submitted a joint proposal to Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC). Thaindia news, a web based news media reported about the development centring the Bangladesh’s communication system.

Bangladesh’s defence network

Experts opined that if India has to depend on Bangladesh regarding maintaining communication with its north eastern provinces, why it had turned down the proposal of sub-regional cooperation as was mooted by the Awami League government in the year 1996. Experts now opine that if it happens so, India will be able to control Bangladesh’s communication system, including the defence network fully. Even the military establishments of Bangladesh will be nothing but an extension of the Indian eastern command.

Apart from the proposal of fibre optic network, Bharti Airtel is about to complete a deal to buy 70 per cent share of Bangladesh’s Warid Telecom for a reported $900 million from Abu Dhabi Group. While Bharti and Reliance are rivals to each other in the Indian domestic market they have joined hands while bidding for fibre optics network in Bangladesh.

Before getting Transit – Corridor through Bangladesh for easier communication with the isolated North-Eastern Provinces (Assam, Meghalaya, Tripura, Monipur, Mizoram, Arunachal and Nagaland), India wants to build up the fibre-optic network, by using the existing submarine lending cable of Bangladesh, the backbone of the Bangladesh’s international communication. The cable again is frequently disrupted, sometimes due to theft of cable and sometime for technical reasons. However Bharti and Reliance have offered Bangladesh access to the alternative submarine cable in exchange of the permission to build up fibre optic network.

The seven north eastern states now get telecom services through VSAT (Very Small Aperture Terminal) at a high price.

Cox’s Bazar: Disruption likely

A BTRC official confirmed the report and said that as per the proposal Bangladesh could use the companies’ undersea cable network as an alternative to lone submarine cable SEA-ME-WE-4. The existing optical fibre line connects Dhaka to the south-eastern Cox’s Bazar’s submarine cable landing station. It serves as the backbone of international communication, while satellite services act as backup with limited bandwidth.

Experts opined that if India is allowed to build up fibre optic network in Bangladesh that will surely disrupt the Bangladesh’s communication with outside world. It is not feasible before launching its own satellite by Bangladesh.

Meanwhile Bangladesh plans to join 50 other countries, including South Asian neighbours India and Pakistan, to ramp up its communications network by launching a satellite.

The cost of the programme will be between $150 million and $200 million according to Post and Telecommunications Minister Raziuddin Ahmed Raju. Bangladesh has started talking to different countries including the US, Japan and China, to help launch own satellite by Bangladesh.

Reuters’ report

Bharti Airtel has almost finalized a deal with the Abu Dhabi group to buy 70m percent of Bangladesh’s Warid Telecom. The total deal will cost $900 million while the initial investment will be $300 million. Reuters reported from India that Bharti declined to make any comment, but its share has gone up by 2.8 per cent while Abu Dhabi Group Chief Commercial Officer Ali Tahir said that they expect to seal the deal by mid-January 2010. But he did not disclose the sale price.

Bharti targeted this small deal with Abu Dhabi Group to buy Bangladesh’s share when the company failed to materialise its $24 billion merger with South Africa’s MTN. South Africa showed its reluctance to allow a flagship corporate to lose its national character.

Warid is the Bangladesh’s fourth-biggest telecom company. As per the contemplated deal, Abu Dhabi Group will retain 30 per cent share, said the report quoting the source of the selling firm. The sale proceed is likely to help Dubai, which has been crunched recently.

Reuters report said: UAE-based Abu Dhabi Group, a consortium of investors that includes members of the royal family of Abu Dhabi, sought approval from Bangladesh’s telecoms regulator for the sale on December 13, according to the regulator’s chairman, Zia Ahmed.

The deal is set against a backdrop of this week’s announcement that oil-rich Abu Dhabi will provide $10 billion to Dubai in order to help its neighbour meet its debt obligations.

Bharti’s expansion would give the Indian phone leader access to Bangladesh’s rapidly growing mobile sector at a time when it is locked in an intense price war in India with rivals Reliance Communications. For the Abu Dhabi Group, the deal will enable it to focus on other telecoms markets where it can have a bigger market share, Tahir said.

No comment from Bharti

Bharti said on Wednesday it was evaluating international opportunities, but declined to comment on plans to buy Warid. Bharti initially plans an investment of $300 million. He said a written proposal by Abu Dhabi Group did not pin a full value on the deal. A section of newspapers in Bangladesh had reported the final deal could be worth $900 million, citing Warid officials.

“The dynamics of the Bangladesh market are similar to those in India, where Bharti has proven itself,” said Phani Sekhar, fund manager at Angel Broking, which holds Bharti shares, in Mumbai Stock market.

Warid Telecom also operates in Pakistan, Uganda and the Congo. Singapore Telecommunications bought a 30 percent stake in Warid’s Pakistan business for $758 million in 2007 from the Abu Dhabi Group. Warid’s operations in Pakistan, India’s neighbour and political rival, are not part of the Bharti deal. At the end of October, Warid had 2.79 million subscribers – far fewer than Grameenphone whose majority share is owned by Norway’s Telenor.

Bharti, which has more than 100 million subscribers in India, is looking to replicate its staggering growth at home in other emerging markets, where scale is vital, many customers are poor and rural, and penetration rates are low but rising fast. Indian mobile operators are locked in an intense tariff war that has raised concerns about profitability. The price war is aimed at grabbing new users as new firms enter the market.

Bangladesh’s mobile sector has grown rapidly, with subscriber numbers reaching more than 51 million at the end of October from 200,000 in 2001, helped by low penetration levels, competitive tariffs and steady economic growth. Analysts predict the number of subscribers could top 70 million by 2011, nearly half the country’s population of 150 million.

The news came two-and-a-half months after talks between Bharti and MTN Group to create the world’s third-largest mobile operator collapsed for the second time in just over a year on South Africa’s reluctance to allow a flagship corporate to lose its national character.

* * * * *

Moinuddin Naser is a Bangladeshi writer, contributes in the Weekly Holiday from New York.

The Writer’s Club in Bangla

দ্যা রাইটার্স ক্লাবের বাংলা ভার্সন লেখক সংঘ ব্লগ খোলা হয়েছে।

The Writer's Club is now available in Bangla.

RSS South Asia

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.

RSS Unheard Voices

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.
January 2010
M T W T F S S
« Dec   Feb »
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031