You are currently browsing the monthly archive for August 2010.

দুই অর্থনীতির প্রস্তাব করছেন শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে পুর্ব পাকিস্তানকে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণের হাত থেকে রক্ষা করার একমাত্র উপায় হচ্ছে এটি।

বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান। মাত্র ২০ বছর বয়সে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশানে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ ঘটেছিল। তারপর থেকে আমৃত্যু এই রাজনীতিতেই জড়িয়ে ছিলেন। ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে যেখানেই তিনি অন্যায় ও বৈষম্য দেখেছেন, তিনি তার প্রতিবাদ করেছেন, পরিবর্তনের দাবী করেছেন। প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া কী হবে, রাষ্ট্র কী ধরণের নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করবে, এসব ভেবে কখনও পিছপা হননি। এই প্রতিবাদী চরিত্রের জন্য তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রায় প্রত্যেকটি সরকার শেখ মুজিবুর রহমানকে কোন না কোন রাজনৈতিক কারণে বন্দী করেছে। এবং প্রত্যেকবারই রাজনৈতিক সহকর্মীদের নেতৃত্বে মানুষের তীব্র আন্দোলন তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য করেছে।
শেখ মুজিবুর রহমানের বন্দী হওয়ার প্রেক্ষাপটগুলো সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ নীচে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৪৮: পুর্ব পাকিস্তানের মানুষ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিবে, মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীনের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে মানুষ বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। পুর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা নেতা হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলা ভাষার প্রতি রাষ্ট্রে ঐ নীতির প্রতিবাদে আন্দোলনের সূচনা করেন এবং একাধিক কর্মসূচীর ডাক দেন। ১১ মার্চ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে সহ আরও আটক করা হয় শামসুল হক, অলি আহাদ, আব্দুল ওয়াহেদ, গোলাম আযম সহ মোট ১২ জন ছাত্রনেতাকে। এই আটকের তীব্র প্রতিবাদে আন্দোলন আরও বড় আকার ধারণ করতে শুরু করলে ১২ আটক নেতার সবাইকে মুক্তি দেয়া হয়।
এ বছরই শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অধ্যয়নরত অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের অধিকারের দাবীতে আন্দোলন শুরু করেন এবং ১৭ মার্চ দেশব্যাপী ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়ে গ্রেপ্তার হন। এই আন্দোলনের ফলস্বরূপ কর্মচারীদের উত্তেজিত করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দী অবস্থাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়, সম্প্রতি যে বহিষ্কারাদেশটি দীর্ঘ ৬১ বছর পর তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বছরের শেষ ভাগে শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী মুসলিম লীগের একটি সভায় মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিনের পদত্যাগ দাবী করেন। এই দাবীর প্রেক্ষিতে অক্টোবারে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ শেখ মুজিবুর রহমানকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়।
১৯৫০: প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের পুর্ব পাকিস্তান সফরের পরিপ্রেক্ষিতে শেখ মুজিবুর রহমান দেশে খাদ্যাভাবের প্রতিবাদের সভা-সমাবেশ করেন এবং আটক হন।
১৯৫২: ২৭ জানুরারি তারিখে গভর্নর জেনারেল খাজা নাজিমুদ্দীন ঘোষণা দেন যে উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। এর প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদের সভায় বৃহত্তর আন্দোলনের সিদ্ধান্ত হয় ও ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখের কর্মসূচী ঘোষিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারির বর্বোরচিত গণহত্যার প্রতিবাদে যখন পুরো পুর্ব পাকিস্তান ফুঁসে উঠেছিল, তখন বন্দী অবস্থাতেও শেখ মুজিবুর রহমান দলের আন্দোলন কর্মসূচী ও সভা-সমাবেশ সংগঠনের পেছনে ভূমিকা রাখছিলেন। ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে তিনি অনশন শুরু করেন। ঢাকার আন্দোলনকারীদের সাথে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুর কারাগারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিলাভ করেন।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে যুক্তফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে যুক্তফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৫৪: ৫৪-র নির্বাচনে পুর্ব পাকিস্তানে যুক্তফ্রন্ট বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে। শেখ মুজিবুর রহমান তার নিজের গোপালগঞ্জ আসনে মুসলিম লীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামানকে ১৩,০০০ ভোটে পরাজিত করেন। ১৫ মে তারিখে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি ও বন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ম পান। এ মাসেই ২৯ মে তারিখে কেন্দ্রীয় সরকার আকস্মিক ভাবে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে দেয়। এদিনই পাকিস্তান থেকে ফেরার পথে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হন। তিনি প্রায় ৭ মাস বন্দী ছিলেন।
১৯৫৮: ৭ অক্টোবার তারিখে পাকিস্তানের শেষ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দর মির্জা সামরিক শাসন জারি করে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এর ঠিক চারদিন পর ১১ অক্টবার তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং একের পর মিথ্যা মামলা দেয়া হয়। যেকোন ধরণের রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমানকে এবার প্রায় চৌদ্দ মাস যাবৎ আটক রাখা হয়। এ বছরেরই ২৭ অক্টোবর তারিখে আইয়্যুব খান সেনা অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা দখল করলেও রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি পাননি। বরং চৌদ্দমাস পর তিনি যেদিন মুক্তি পান, সেদিনই জেলগেট থেকে পৃথক একটি মামলায় তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়।
১৯৬৩-৬৪: ১৯৬৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রয়াত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্‌র বোন ফাতেমা জিন্নাহ অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রাষ্ট্রক্ষমতা ইতমধ্যেই আইয়্যুব খানের হাতে থাকলেও প্রশ্নাতীত জনপ্রিয়তার অধিকারী কায়েদ-এ-আজমের বোন হিসেবে ফাতেমা জিন্নাহ্‌ আইয়্যুবের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভুত হন। যেহেতু শেখ মুজিবুর রহমান স্বৈরশাসক আইয়্যুবের মৌলিক গণতন্ত্র প্রস্তাবের বিরোধী ছিলেন, তিনি ২ জানুয়ারি, ১৯৬৪-তে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনটিতে ফাতেমা জিন্নাহ্‌কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেন। নির্বাচনের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে, ১৯৬৩-র ১৮ ডিসেম্বার তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে পাবলিক সিকিউরিটি অ্যাক্ট-এর আওতায় রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৯৬৫: পাবলিক সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায় শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার হয় এবং সরকারবিরোধী বক্তব্য দেয়ার কারণে তাকে ১ বছরের সাজা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়।

৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬-তে শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার একটি জনসভায় ছয় দফা উত্থাপন করছেন

১৯৬৬: ঐতিহাসিক ছয় দফা উত্থাপনের বছর। এ বছরই ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে ঢাকার এক জনসভার মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। এ বছরের মার্চের শুরুর দিকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই তিনি ছয়দফা দাবীর প্রতি জনসমর্থন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে তিনি দেশব্যাপী ভ্রমণ করে জনসংযোগ করতে থাকেন। এই জনসংযোগ কর্মসূচীর বিভিন্ন পর্যায়ে ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহে তাকে একাধিক বার গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হয়। ১৯৬৬ সালের প্রথম ভাগেই ছয়দফার প্রচার করতে গিয়ে তিনি আটবার আটক হন। ৮ মে তারিখে নারায়ণগঞ্জের একটি পাট কলে শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যের ফলে তিনি আবার আটক হন। এবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষের বিক্ষোভ প্রদর্শিত হল এবং টঙ্গি, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়া হয়েছিল।
১৯৬৮: এ বছর শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। বলা হয়, ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর কর্মকর্তা লেঃকর্নেল শামসুল আলমের দেয়া গোয়েন্দা রিপোর্টে ঐ ৩৫ জন, যাদের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানসহ ছিলেন রাজনীতিবিদ, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনের বাংলাভাষী সদস্য, এদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক ষড়যন্ত্রে অংশ নেয়ার ব্যাপারে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই মামলার অধীনে উল্লিখিত ৩৫ জনকে সেনাবাহিনী গ্রেপ্তার করে। ১৯ জুন তারিখে ঢাকা সেনানিবাসে এই মামলার বিচার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয়।

আগরতলা ষড়যন্ত্রমামলার আসামী শেখ মুজিবুর রহমান।

আগরতলা ষড়যন্ত্রমামলার আসামী শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬৯ সালে মামলাটির বিচারাধীন অবস্থায় এর ১৭নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হক আটকাবস্থায় নিহত হন। তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি সেখানে মারা যান। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তার পরিণতিতেই আইয়্যুব খানের সরকারের পতন ঘটে। এ বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাটি তুলে নেয়া হয়।
১৯৭১: বলা হয়ে থাকে যে ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসের বিশাল আয়োজন এবং পরে স্বাধীনতার দাবীর ফলেই পাকিস্তানের জঙ্গী শাসকগোষ্ঠী কুখ্যাত অপারেশান সার্চলাইটের পরিকল্পনা করেছিল, যার আওতায় যত বেশি সম্ভব বাংলাভাষাভাষী বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হবে। ২৫ মার্চ ছিল অপারেশান সার্চলাইটের নির্ধারিত দিন। এ সময়ে পুর্ব পাকিস্তানে সামরিক কর্মকান্ডের দায়িত্ম মূলত টিক্কা খান থাকলেও গণহত্যাটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করেছিল জেনারেল রাও ফরমান আলী। ২৫ মার্চ তারিখে দিনের আলো নিভতেই ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাস্তায় সামরিক বাহিনী অবস্থান নিতে শুরু করে। এক সময়ে শুরু হয় গণহত্যা। রাত যত গভীর হতে থাকে নিষ্ঠুরতার মাত্রাও তত চড়তে থাকে।

এসএসজি কর্তৃক গ্রেপ্তারের পর শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশেষ সামরিক বিমানে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় করাচিতে। করাচি বিমানবন্দরে দুই এসএসজি সদস্যে পাহাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমান।

এ রাতেই শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাসায় পাকিস্তান আর্মির বিশেষ বাহিনী স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপ (এসএসজি)-র একটি দল হানা দেয়। বাসার বাইরে অপেক্ষমান কর্মী, পথচারী সহ বাসার ভেতরের কয়েকজনকে হত্যা করা হয় এবং সেখান থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করার পর ঢাকা সেনানিবাসের কন্ট্রোল রুম, যেখানে বসে টিক্কা খান শহরের পরিস্থিতি ও সেনাবাহিনীর কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করছিলেন, তাকে মেসেজ দেয়া হয়- “দ্য বিগ বার্ড ইন কেজ!”।

শেখ মুজিবুর রহমানের এবারের আটক হওয়া ও মুক্ত হওয়ার মধ্যে রচিত আছে ধর্ম-বর্ণ-ভাষা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি বাংলাদেশীর গর্বের ইতিহাস।


৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান এবং সেদিনই একটি বিশেষ বিমানে লন্ডন পৌছান। লন্ডনের মেফেয়ারে অবস্থিত হোটেল ক্ল্যারিজেস-এ শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন, এবং মানবিকতার খাতিরে নবজাতক বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য বিশ্বের সচ্ছল দেশগুলোর প্রতি আবেদন জানান। লন্ডনে তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা এডওয়ার্ড হিথের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি লন্ডনের একটি হাসপাতালে তার শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষাও করান। ১০ জানুয়ারি তারিখে তিনি বৃটিশ রয়েল এয়ার ফোর্স (আরএএফ)-এর একটি বিশেষ বিমানে করে দিল্লী হয়ে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে বহুপ্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন করেন। দিল্লীতেও তাকে রাষ্ট্রপতি ভেঙ্কটগিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিশেষ সংবর্ধনা দেন, এবং শেখ মুজিবুর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ দেন।

Click here to get the full resolution.

(This article is a re-post from Bangladesh First)

It’s all about what we get used to and later what we assume the standard to be. You never know which comes first, our assumption or our getting used to. Years ago, say in late 90s or early 2000s, we had an assumption about the standard time it takes to travel certain distances inside Dhaka city. Gradually that standard time has become longer. Now, amazingly, we don’t really get stunned or the it doesn’t occur to us that we are spending the time in Dhaka’s streets nearly twice than what it was a decade ago, until someone comes up and mentions it was half of the today’s a decade ago.

We probably are waiting for some confession from any government official over Dhaka’s unbelievable traffic, like the finance minister A.M.A Muhith did over regulating commodity prices and breaking up syndicate. He simply ended up saying his government has been unable to have control over it. Dhaka’s traffic is almost catastrophically growing higher, offering all annoyances to Dhakaite dwellers, passengers, drivers and traffic police personnel too. And who knows, any responsible government official may show up someday with a confession that all have been done to fix and it was failure which eventually has come.

Isn’t it the time to think something beyond of just getting annoyed or, just regretting or, even coming up with ridiculously short-lived plans?

The Writer’s Club in Bangla

দ্যা রাইটার্স ক্লাবের বাংলা ভার্সন লেখক সংঘ ব্লগ খোলা হয়েছে।

The Writer's Club is now available in Bangla.

RSS South Asia

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.

RSS Unheard Voices

  • An error has occurred; the feed is probably down. Try again later.
August 2010
M T W T F S S
« Jul   Sep »
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031